পয়লা ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ ঘোষণার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

6
পয়লা ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ ঘোষণার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

রোববার সংসদ ভবনে কমিটির
সভাপতি মো. শাজাহান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ প্রস্তাব তোলা হয়।

পরে তিনি বিডিনিউজ
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একসময় যখন মুক্তিযোদ্ধারা
থাকবেন না তখনও যাতে তাদের স্মরণ করা হয় সে কারণে মুক্তিযোদ্ধা দিবস করার প্রস্তাব
করা হয়েছে।”

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে
রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জাতীয় বীর’ উপাধি দিয়ে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের প্রথম দিনটিকে
‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি এর আগে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম থেকে করা
হয়েছিল।

২০০৪ সালের ১২ জানুয়ারি
পল্টনে এক মহাসমাবেশ করার পর ওই বছর থেকেই সারা দেশে ১ ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা
দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে ফোরাম।

‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ ঘোষণার দাবি সেক্টর কমান্ডারদের

শাজাহান বলেন, “সরকারি ঘোষণা না থাকলেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে। সরকার যদি গেজেট করে একটা দিবস
ঘোষণা করে তখন সেটা পালন করার একটা বাধ্যবাধকতা থাকে। আমরা মন্ত্রণালয়কে বলেছি।
তারা এখন সেটা মন্ত্রিসভায় তুলবে। মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”

এদিকে বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ
থেকে বৈঠকে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বচ্ছল জীবনযাপনের
জন্য চলতি অর্থবছর থেকে তাদের মাসিক সম্মানী আট হাজার টাকা বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা
করার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বৈঠকের আরও জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধের
আদর্শ ও চেতনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট সাধারণ শিক্ষায়
অধ্যয়নরত প্রতিজনকে এক হাজার টাকা এবং মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত প্রত্যেককে
এক হাজার ৫০০ হারে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৪৬০
জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে।

বৃত্তিপাপ্ত
ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে তা
যাচাই বাছাইয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা গ্রহণের লক্ষ্যে বৃত্তিপ্রাপ্তদের বিস্তারিত তথ্য
মন্ত্রণালয়কে আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা
কাউন্সিলের আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব বিবরনী এবং আয়-ব্যয়ের অডিট প্রতিবেদনসহ
আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ
ট্রাস্ট থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের যে চিকিৎসা খরচ দেওয়া হয় প্রয়োজন অনুযায়ী তা মাসিক
হারে প্রদানের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।

শাজাহান খানের সভাপতিত্বে
বৈঠকে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক এবং কাজী ফিরোজ
রশীদ অংশ নেন।



Source by [Original Post]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here